আগরতলা — ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমা হাসপাতালের সাইদাবাড়ি আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের আওতাধীন উত্তর কুমারঘাট এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়িতে গিয়ে এক নবজাতকের শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়েছেন। গত ২ নভেম্বর আশা ফেসিলিটেটর কল্পনা মালাকার এবং আশাকর্মী অর্পণা দাস স্থানীয় বাসিন্দা ঋতিকা রায়ের বাড়িতে যান। গত ১৯ অক্টোবর একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ঋতিকা দেবী এক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। জন্মলগ্নে শিশুটির শারীরিক ওজন ২ কেজি ৭০০ গ্রাম রেকর্ড করা হলেও, ঘটনার চৌদ্দ দিন বাদে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ কেজি ৬০০ গ্রামে।
মাতৃ ও শিশুকল্যাণমূলক কার্যক্রম
এ ধরনের নিয়মিত গৃহভিত্তিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নবজাতকদের সঠিক লালনপালন ও স্বাস্থ্যগত পরিচর্যা সুনিশ্চিত করা হয়। প্রসূতি মায়েদের শারীরিক সুস্থতা যাচাইয়ের পাশাপাশি তাঁদের সুষম পুষ্টি, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা হয়ে থাকে। চিকিৎসকদের মতে, জন্মপরবর্তী প্রাথমিক সপ্তাহগুলোতে সঠিক নজরদারি নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রসূতির সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের পাশাপাশি নবজাতকের ওজন ও দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা করেন। এছাড়া শিশুটির সঠিক সময়ে টিকাকরণ সম্পন্ন করা, প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের স্তন্যদগ্ধ পান করানো এবং পরবর্তীতে পরিপূরক পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করার ওপর বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়।
ঊনকোটি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক একটি সরকারি বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য গণমাধ্যমকে অবহিত করেছেন।
তথ্য ও সংস্কৃতি অধিকার (ICA) দপ্তর, ত্রিপুরা কর্তৃক প্রকাশিত একটি সরকারি বিবৃতির ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।






