জনগণের নিরাপত্তা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় আরক্ষা বাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। তাদের কর্মদক্ষতা, নিষ্ঠা অন্যদেরও অনুপ্রেরণা যোগায়। পুলিশকর্মীদের একতা, নিষ্ঠা, সাহস ও দায়বদ্ধতাবোধই হচ্ছে আরক্ষা বাহিনীর মূল শক্তি। গতকাল অরুন্ধতিনগরস্থিত মনোরঞ্জন দেববর্মা স্মৃতি স্টেডিয়ামে ‘পুলিশ স্মৃতি দিবস’ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৫৯ সালের ২১ অক্টোবর লাদাখে চীনা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে ১০ জন পুলিশ সদস্য শহীদ হয়েছিলেন। তাদের এই আত্মত্যাগকে স্মরণ করতেই ১৯৬০ সাল থেকে এই দিবস পালন করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত দেশের পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর মোট ১৫৪ জন সদস্য কর্তব্য পালন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন। তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, মানুষের সমস্যার বিষয়ে সংবেদনশীল হওয়া এবং জনগণের সাথে ভাল আচরণ করাও পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি বলেন, বর্তমান সমাজে সাইবার অপরাধ, মাদক পাচার এবং নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনীকে আরও দক্ষ ও পারদর্শী হয়ে উঠতে হবে। রাজ্য সরকার পুলিশ বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দিয়েছে। কারণ রাজ্য সরকারের লক্ষ্য জনগণের জন্য নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং সুন্দর একটা পরিবেশ গড়ে তোলা। অনুষ্ঠানের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ অর্পন করে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে মুখ্যসচিব জে কে সিনহা, রাজ্য পুলিশের ডিজিপি জি এস রাও সহ পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
ICA










