কৈলাসহর, ১১ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরা সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে গতকাল কৈলাসহরের ঊনকোটি কলাক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত হলো জেলাভিত্তিক ‘অশ্বিনী কুমার বিশ্বাস স্মৃতি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা’। জেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে মোট ৭৩ জন ছাত্রছাত্রী সুর ও রূপের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করে ঊনকোটি জিলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “হিন্দুস্থানি ও কর্ণাটকী—এই দুই ধারার সঙ্গীত ভারতের রাজদরবার ও ঐতিহ্যবাহী ঘরানাগুলোতে যুগের পর যুগ ধরে চর্চা হয়ে আসছে।” বর্তমান সামাজিক মাধ্যমের যুগে তরুণ সমাজকে সুপথে রাখতে সঙ্গীতের ভূমিকা অপরিসীম মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, “সঙ্গীতের মাধ্যমে শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা ও ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়াই একমাত্র মাপকাঠি নয়, অংশগ্রহণ করে সঙ্গীতের সাথে যুক্ত থাকাটাই আসল সাফল্য।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঊনকোটি জিলা পরিষদের সদস্য বিমল কর এবং জেলা শিক্ষা আধিকারিক রাজেশ দেববর্মা। পুরো কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন কৈলাসহর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন চপলা রানী দেবরায়। এর আগে স্বাগত ভাষণ দেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যালয়ের সহ-অধিকর্তা অজয় দে।
প্রতিযোগিতায় হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় কণ্ঠসঙ্গীত, ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য, তবলা এবং বিভিন্ন শাস্ত্রীয় বাদ্যযন্ত্র বিভাগে ছাত্রছাত্রীরা তাদের প্রতিভা প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিটি বিভাগের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। জেলা স্তরে নিজ নিজ বিভাগে যারা প্রথম স্থান অধিকার করেছে, তারা পরবর্তী রাজ্য স্তরের ‘অশ্বিনী কুমার বিশ্বাস স্মৃতি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা’-য় জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।
উৎস: তথ্য ও সংস্কৃতি অধিকার, ত্রিপুরা সরকার (প্রেস বিজ্ঞপ্তি নম্বর: স-২৭৯০, তারিখ: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)।










